Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Supreme Court CCTV

জেলে সিবিআই-এনআইএ-ইডির জেরা করার ঘরে বসবে সিসিটিভি, বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

দেশের সমস্ত থানায়ও এই ব্যবস্থা করতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ০৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ০৮:৩৭

options
link
জেলে সিবিআই-এনআইএ-ইডির জেরা করার ঘরে বসবে সিসিটিভি, বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিসিটিভির সামনেই জেরা করতে হবে সিবিআই, এনআইএ, ইডি-র মতো তদন্তকারী সংস্থাকে। জিজ্ঞাসাবাদের গোটা প্রক্রিয়া ক্যামেরাবন্দী রাখতে হবে। এমনকী, থাকতে হবে অডিও রেকর্ডিংও। এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, দেশের সমস্ত থানা, সিবিআই (CBI), এনআইএ (NIA), ইডি (ED)-র মতো তদন্তকারী সংস্থার লক আপ (Lock UP) এবং জেরা করার ঘরে ‘নাইট ভিশন’ ও ‘অডিও রেকর্ডিং’-এর ব্যবস্থা-সহ সিসিটিভি বসাতে হবে। হেফাজতে অত্যাচার বন্ধের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সমস্ত থানায় এই ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্যগুলিকে। শীর্ষ আদালত বলেছে, এমনভাবে ক্যামেরা (CCTV) বসাতে হবে যাতে ‘ইন্টারোগেশন রুম’, লক আপ, থানা বা তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে ঢোকা-বেরনোর সমস্ত দিক স্পষ্ট বোঝা যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : টিকিট বাবদ সংগৃহীত ৫ কোটি টাকা উধাও! ‌বিপাকে ‘‌স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ কর্তৃপক্ষ]

পাঞ্জাবের একটি ঘটনায় হেফাজতে অত্যাচার সংক্রান্ত মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে প্রবেশ-প্রস্থান পথ, লক আপ, করিডোর, লবি, রিসেপশন এলাকা, ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টরদের ঘর এবং শৌচাগারের বাইরেটাও। রেকর্ডিংয়ের সুবিধাযুক্ত সিসিটিভি লাগাতে হবে নার্কোটিক্স ব্যুরো, ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স এবং সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন—এর দপ্তরেও।

[আরও পড়ুন : ‘ভগবান কৃষ্ণের নামে ৩ হাজার গাছ কাটা যাবে না’, ‘সুপ্রিম’ ভর্ৎসনার মুখে যোগীর রাজ্য]

প্রমাণ হিসাবে ভিডিও-অডিও ১৮ মাস সংরক্ষণ করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা মাঝেমধ্যে তা পরীক্ষা করে দেখতে পারে। রাজ্যগুলি কীভাবে এই পরিকল্পনা কার্যকর করবে, ছ’সপ্তাহের মধে্য তা নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলেছে আদালত। হেফাজতে অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে প্রতিটি জেলায় মানবাধিকার আদালত তৈরি করতে হবে। আগামী ২৭ জানুয়ারি ফের শুনানি করবে শীর্ষ আদালত। দু’বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পালন না করায় ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.